মাদকাসক্তি নিয়ে জনসচেতনতা

তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক বয়স হল বৃদ্ধি এবং কৃতিত্বের সময়কাল। এই সময়ে তারা জীবনের বিভিন্ন দিক অনুভব করে স্বাধীন হওয়ার চেষ্টা করে।

তারুণ্য হচ্ছে জীবনের সোনালী অধ্যায়। গৌরব আর স্বীকৃতি অর্জনের শ্রেষ্ঠ সময়। এই সময়ে তরুণেরা  বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তথা জীবনের নানা দিক সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জন করে। নানা ধরনের  মানুষ-পরিবেশের সাথে পরিচিত হয়। সম্ভাবনা আর বিচিত্রতার এই অপার সময়ে নিত্যনতুন কৌতূহল অনেক ক্ষেত্রে  মাদকদ্রব্য বা অপরাধ জগতের সাথেও পরিচিত করায়। মাদকদ্রব্য বা ড্রাগস মোটামুটি পৃথিবীর সমস্ত দেশ, জাতির অন্যতম মাথাব্যাথার কারণ। একজন মাদকে আসক্ত ব্যাক্তি শুধু তার পরিবার নয় বরং রাষ্ট্রের জন্যও হুমকিস্বরূপ।মাদকের অপব্যবহারের ফলে লাখ লাখ মানুষ প্রতি বছর এইডস, ফুসফুস ক্যানসারের মত ভয়াবহ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। রোগবালাই ছাড়া এমনকি সহিংসতা, শিশু নির্যাতন সহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যারও অন্যতম কারন হচ্ছে মাদক। বর্তমানে বাংলাদেশেও মাদকাসক্তি ক্রমান্বয়ে জাতীয় সমসসায় পরিনত হচ্ছে। সাম্প্রতিক রিসার্চে দেখা গেছে, ১৮-৩০ বছর বয়সী কয়েক লাখ বাংলাদেশী তরুণ মাদকে আসক্ত যার মধ্যে উচ্চবিত্ত সম্প্রদায় থেকে নিম্নবিত্ত, সব স্তরের লোকজন রয়েছে।

সচেতনতামূলক কার্যক্রম

কিশোর এবং তরুণদের মদ, গাঁজা, হেরোইন ইত্তাদির প্রতি আসক্তি বিভিন্ন আইনগত সমস্যা তৈরির পাশাপাশি তাদের শারীরিক ও মানসিক ক্রমবিকাশে ক্ষতি করে থাকে। মানব মস্তিষ্কের পূর্ণ গঠন ও বিকাশ সাধারণত ২৩/২৪ বছর বয়স পর্যন্ত হয়ে থাকে। মস্তিষ্কের বৃদ্ধির এহেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে স্নায়ু উত্তেজক ড্রাগস সহ শরীরের জন্য ক্ষতিকর যে কোন কিছু পরবর্তীতে সারা জীবনের স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারন হতে পারে। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে তাই ড্রাগসের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করা উচিত। তাদের জানাতে হবে মাদকের অপব্যবহার শুধুমাত্র আসক্তকেই সরাসরি শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেনা বরং তার পরিবার, পরিজনেরও ধ্বংসের কারণ হয়। মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে তরুণদের সুষ্ঠু ধারণা দেয়া হলে তারা ড্রাগস/ মাদকের ব্যবহার নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সমর্থ হবে।

আজকের তরুণ আগামির ভবিষ্যৎ। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার হিসেবে তাই তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা,দক্ষতার বিকাশ নিশ্চিতে আমাদের প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে হবে। মাদক, এলকোহলের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে শিশু-কিশোরদের জানানো এক্ষেত্রে একটি উত্তম প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ। এক্ষেত্রে অভিভাবকেরা ড্রাগসের অপকারিতা নিয়ে শিশুদের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরলে তা তাদের সচেতনতা বিকাশে খুবই সাহায্য করে থাকে। মাদকের কুফল সম্বন্ধে শিশুদের বাস্তবসম্মত কার্যকরী শিক্ষা নিশ্চিত করা না গেলে সম্ভাবনা থাকে নেশার প্রতি কৌতূহল থেকে বা আশেপাশের সঙ্গি-সাথিদের জোরাজুরিতে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়ার। ড্রাগস কি? স্রেফ এটা জানার জন্য কৌতূহলবশত শিশুকিশোরদের মাদক নেয়া, পরবর্তীতে তাদের নেশায় আসক্তি, নেশার প্রতি সহনশীলতা এমনকি ড্রাগস স্মাগলিং এর মত ভয়াবহ অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়।

ড্রাগস অপব্যবহারের ক্ষেত্র কি রকম সচেতন হওয়া উচিত?

বস্তুর অপব্যবহার সম্পর্কে প্রাথমিক শিক্ষা সবার জন্যই উপকারী। তবে বিশেষ করে শিশুকিশোরদের মধ্যে মাদকের অপপ্রয়োগ নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা হলে তা ড্রাগসের প্রতি তাদের ন্যূনতম কৌতূহলও নিবৃত্ত করতে সাহায্য করে।

আসলে, মাদক ব্যবহারের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে তরুণদের বোঝানো গেলে তারা শুধুমাত্র ড্রাগস নিয়ে নিরুৎসাহিতই হয়না বরং এর কুফল সম্পর্কে বন্ধু- বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনদেরও সচেতন করার প্রয়াস চালায়।

মাদকাসক্তি নিয়ে বর্তমানে সচেতনতা

আমরা বর্তমানে এমন এক বিশ্বে বাস করি যেখানে মাদকাসক্তিকে আসক্তি নয় বরং রোগ হিসেবে গণ্য করা হয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০০ সালের পর থেকে ড্রাগসের ওভারডোজের কারনে মৃত্যুহার ক্রমাগত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে ড্রাগসের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সচেতনতামূলক পদক্ষেপ এবং এর কুফল সম্পর্কে অকাট্য যুক্তি প্রমান তুলে ধরার মাধ্যমে আমরা আমাদের অনুভুতিপ্রবন তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে পারি। আর যারা ইতিমধ্যে সর্বনাশা মাদকে আসক্তে হয়ে গিয়েছেন, জেনে রাখুন, সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জগতে ফিরে আসার জন্য আপনার কাছে এখনো সময় আছে।আসক্তি প্রতিরোধে চিকিৎসা, রিহ্যাবের মাধ্যমে নেশাগ্রস্থকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ড্রাগ-আসক্তি প্রতিরোধে সচেতনতা কর্মসূচী-২০১৬

বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের রিসার্চ অনুযায়ী এদেশে ৬০ লাখেরও অধিক মাদকসেবী রয়েছে এবং এদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। মাদকাসক্তি নামের এই প্রাণঘাতী ব্যাধি সম্পর্কে আমাদের জনগনের পর্যাপ্ত সচেতনতা থাকা অত্যন্ত প্রয়োজন। এ লক্ষ্য ২০১৬ সালের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ের জনসাধারণের মধ্যে মাদকাসক্তি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। অনুষ্ঠানে ছিল নেশাদ্রব্যাদির বিরুদ্ধে ফ্লায়ার বিতরন সহ মাদকাসক্ত ব্যক্তি, পরিবারের সদসসদের জন্য কাউন্সেলিং সেবা। দিনব্যাপী আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল আমার হোমের যোগ্য প্রচার ও জনসংযোগ টিমের সদস্যরা এবং আমাদের দক্ষ কাউন্সেলরেরা।এ দিন প্রায় ৪০০০ ফ্লায়ার বিতরণ সহ ৩৭ জনের বেশি মানুষকে আমরা কাউন্সেলিং সেবা দিয়েছি।

মাদক অপব্যবহার রোধে প্রচারনা

মদ, গাজা, হেরোইন বা সাম্প্রতিক কালের ইয়াবা সহ যেকোনো মাদক ও নেশাজাত দ্রব্য, তৎসংশ্লিষ্ট আসক্তি প্রতিরোধ ও যুবসমাজকে রক্ষার জন্য সমাজের উঁচু-নিচু সর্বস্তরের সচেতন জনগনের সম্মিলিত অংশগ্রহণে কার্যকর সামাজিক আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। এই সামাজিক প্রেরণা,প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য হল সমাজের সব স্তরে জনসচেতনতা তৈরি করা বিশেষ করে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ড্রাগসের কবল থেকে মুক্ত রাখার জন্য। মাদকসেবীদের ওপর জরিপে দেখা গেছে বেশিরভাগই বয়সে কিশোর, তরুণ এবং এরা মূলত মাদকাসক্ত বন্ধুবান্ধব বা পাড়া-প্রতিবেশিদের প্রভাবে নেশা শুরু করেছিল। এছাড়া প্রোগ্রামের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল, ছাত্রছাত্রীদের ড্রাগস, মাদকের কুফল সম্পর্কে জানানো এবং এসব গ্রহণে নিরুৎসাহিত করা। এ উদ্দেশ্য ২০১৫ সালের নভেম্বরে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি জানুয়ারি, ২০১৬ কে মাদক প্রতিরোধের মাস বলে ঘোষণা করেন।

মাদক অপব্যবহার ও পাচারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দিবস

জুন ২৬ কে মাদক অপব্যবহার ও পাচার রোধে আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দিবসটি জাতিসংঘের ১৯৮৭ সালের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে ঘোষণা দেয়া হয়। এ দিবসটি মূলত মাদক প্রতিরোধ প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুস্মারক বলা হয়ে থাকে।বিশ্বব্যাপি ড্রাগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর প্রতিবছর দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য এবং কার্যক্রম ঘোষণা করে থাকে। যার এবারের আলোচ্য বিষয় হল স্বাস্থ্যের ওপর মাদকের কুপ্রভাব। এবছরের ২৬ জুনের স্লোগান জনগনের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্য আমরা ঢাকার মতিঝিল, সাহবাগ, বনানীর মত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, AUST, শাহিন কলেজ ইত্যাদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পদযাত্রা, র‍্যালির আয়োজন করেছি। আমরা মনে করি এটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠান যা আমাদের সকলকে প্রভাবিত করে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে এবং প্রতিরোধে সচেতন হতে। আর এই কার্যক্রমের সফলতার নিয়ামক জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহন, সমর্থন।

মাদকমুক্ত আলকিতদের প্রথম জাতীয় সম্মেলন বাংলাদেশ মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর এবং সার্টিফায়েড রিহ্যাবিলেশন ক্লিনিকগুলোর যৌথ উদ্যোগে ২০১৪ সালের ২৫শে জুন তারিখে একটি বার্ষিক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। মাদকাসক্তি সমস্যা যে প্রতিরোধ এবং নিরাময়যোগ্য তা জনসাধারণের কাছে তুলে ধরা ছিল এ দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। একটি আকর্ষণীয় শোভাযাত্রা সহ আমার হোম প্রোগ্রামে যোগদান করে। আহসান উল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্সে সম্মানিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জেনারেল মোঃ আতাউর রহমান। এছাড়া কনফারেন্সের বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব মুস্তাক আহমেদ। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ইউএস এইডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা শক্তিশালিকরণ প্রকল্পের সমন্নয়ক পি. বেয়ার এবং নারকোটিকস ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মোঃ আমীর হোসেন সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মাদকাসক্তি নিয়ে যত ভুল ধারণা

ড্রাগসের আসক্তিজনিত ক্ষতির বেলায় কোন বৈষম্য দেখা যায়না এবং তা ধনী, গরিব নির্বিশেষে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। অনেক মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে নির্দিষ্ট অঞ্চল বা এলাকার কারনে অথবা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট পারিপার্শ্বিকতার ফলে মাদকাসক্ত হওয়ার, যেখানে সত্যিটা হল, এর বাইরেও আমাদের আশেপাশে এমন অনেক নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি রয়েছে যারা স্বাভাবিক জীবনযাপনের আড়ালে তাদের মাদক সমস্যাকে লুকিয়ে রাখছে। সকলের সম্মিলিত এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা ড্রাগসের সর্বগ্রাসী প্রভাব থেকে অবশ্যই আসক্তদের মুক্ত করতে পারব। জনসাধারণকে জানানো যে মাদকসেবী বা নেশাগ্রস্ত হওয়া কোন অস্বাভাবিক নয় বরং একটি স্বাভাবিক সমস্যা। এবং সাধারণ মানুষ যখন ড্রাগস আসক্তি, পুনর্বাসন ইত্যাদি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করতে জানবে তা মাদকাসক্ত সহ অন্যান্য আসক্তি সমস্যায় থাকা ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসতে আরো বেশি সাহায্য করবে।

Drug Abuse Awareness Today

We live in a world where addiction is as much a trend as a disease. Statistics show that death by overdose has been steadily increasing since the early 2000’s. By raising drug abuse awareness and backing it with irrefutable facts, we can fight this statistic through the implementation of prevention programs for impressionable kids and teens. For those of you currently struggling with a substance abuse problem, it isn’t too late. There is hope for individuals who are already consumed by the cycle of addiction through methods used in addiction treatment. Recovery is possible, and so is addiction prevention with the use of educational drug abuse

1st National Recovery Get-together

1st National Recovery Get-together Department of Narcotics Control of Bangladesh along with the licensee treatment centers organized an annual meeting for recovering addicts at 25th Jun 2014. The motto was to aware the community that Drug Addiction is preventable & treatable. AMAR Home participated in this program with a rally. State Minister for Home Asaduzzaman Khan was present as the chief guest at the conference at the auditorium of Ahsanullah University of Science and Technology in the city.DNC Director General Md. Atwar Rahman chaired the conference in which senior secretary of Home Ministry CQK Mustaq Ahmed was present as the special guest. Team leader of Health System Strengthening Activities under US AID Alison P Bare and additional DG of DNC Md. Amir Hossain were also present on the occasion.

2nd National Recovery Get-together

2nd National Recovery Get-together Department of Narcotics Control of Bangladesh along with the licensee treatment centers organized an annual get-together for recovering addicts at 11th Jun 2015. The motto was to aware the community that Drug Addiction is preventable & treatable. AMAR Home participated in this program with our successful recovering addicts who are clean for more than two (2) years. State Minister for Home Affairs Asaduzzaman Khan Kamal MP was present as the chief guest at the conference at the Osmani Memorial Auditorium in the city. DNC Director General chaired the conference in which senior secretary of Home Ministry was present as the special guest.

Breaking the Stigma

Addiction doesn’t discriminate, and it affects all types of people from different backgrounds. The more people and families who open up about how addiction has affected their lives during times. Many people fall to the delusion that addiction only happens to people who live in certain parts of the country or have specific backgrounds. However, the truth of the matter is that many people who are addicts can be hiding their issues and so it is only from the outside appearance that they look like they’re living a normal life. Together, we can help raise awareness about addiction and help those who are struggling. Addiction is a legitimate illness, and when more people talk about addiction and recovery, more people can begin to get the help that they so desperately need.

আপনাকে সাহায্য করার জন্য আমরা আছি

আপনার যোগাযোগ গোপনীয়তা এবং সহানুভূতি সঙ্গে আচরণ করা হবে. আমরা আপনাকে চাপ দিতে আগ্রহী নই, আমরা শুধুমাত্র আপনার বোঝা কমাতে এবং সহায়তা প্রদান করতে চাই। যেকোন প্রশ্নের সাথে যোগাযোগ করুন, তা যতই ছোট হোক না কেন।